মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ছয় মাস পর ৬ সিটি করপোরেশনের কাজের মূল্যায়ন করবেন প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড ‘কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি সহায়তা পৌঁছাবে কৃষকের কাছে’ শিলমান্দী ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় তরুণ প্রবাসী নেতা মো. রাসেল মিয়া সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে: তথ্যমন্ত্রী বাঙালির আবেগের মাস, ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত এমপি আনু: সিংড়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনবো রমজান উপলক্ষে ৩ হাজার ২৯৬ বন্দিকে মুক্তি দিলো আরব আমিরাত ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের অভিনন্দন, বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়নের আশা
সুন্দরবনের নিষিদ্ধ খালে কাকড়া আহরনের সময় আটক নৌকা ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

সুন্দরবনের নিষিদ্ধ খালে কাকড়া আহরনের সময় আটক নৌকা ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

মোংলা প্রতিনিধি:
পুর্ব সুন্দরবন চাদঁপাই রেঞ্জের নিষিদ্ধ খালে চলছে কাকড়া আহরনের মহা উৎসব। আটকের পর আবার ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বনের মরা পশুর ক্যাম্প ইনচার্জ মনির খান ও জোংড়া অফিসের এনামুল’র সাথে রয়েছে নিষিদ্ধ খালে কাকড়া আহরনকারীদের সাথে সক্ষতা। এর ফলে মৎস্য ও কাকড়া আহরন বন্ধের সরকারী নির্দেশনা মানা হচ্ছেনা।


বন আর বনজ সম্পদ রক্ষায় সুন্দরবনের জোংড়া, মরাপশুর, নন্দবালা, করমজল ও ঝাপসি প্রধান খাল গুলোতে সকল প্রকার মৎস্য ও কাকড়া আহরন ও পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। কিন্তু ওইসব খালে বন বিভাগের সহায়তায় মাছ আর কাকড়া আহরনের অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশ না করা সত্বে চিলা ইউনিয়নের একজন বাসিন্ধা জানান, গেল ১ সেপ্টেম্বর পূর্ব সুন্দরবনের চাদপাই ষ্টেশন থেকে কাড়কা আহরনের বিএলসির মাধ্যমে পাশ-পারমিট (অনুমতি) নেন  জিয়ারুল সর্দ্দার, মতিয়ার শেখ, এনামুল সর্দ্দার। ওই দিনই রাতেই তিনটি নৌকা নিয়ে আরো তিন সহযোগী রাসেল, মিরাজুল ও আইলেসহ বনের নিষিদ্ধ খালে প্রবেশ করে তারা। বনের নিষিদ্ধখাল জোংড়া ও মরাপশুর এলাকায় কাকড়া আহরন করার সময় মরাপশুর ক্যাম্প ইনচার্জ মনির হোসেন তাদের সবাইকে রাতে আটক করে। পরে দফারফার মাধ্যমে ছাড়া পেয়ে ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার চিলা এলাকায় কাকড়া বিক্রি করে তারা। নিষিদ্ধ খালে কিভাবে কাকড়া আহরন করে এমন প্রশ্নের জবাবে সুন্দরবনের চাদপাই রেঞ্জের মরাপশুর ক্যাম্প ইনচার্জ মনির খান জানান, বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে তারা বনের অনুমোদিত এলাকায় কাকড়া আহরন করেছে। শুধু মাত্র মরাপশুর নদী দিয়ে তারা (কাকড়া আহরনকারীরা) তাদের গন্তব্যে চলে যায়। তবে নিষিদ্ধ খালে কাকড়া আহরনের কথা অস্বিকার করে ওই বন কর্মকর্তা বলেন, টহলরত অবস্থায় কাকড়া আহরনকারীদের তল্লাশী করা হয়েছে কাকড়া ছাড়া অন্য কিছু পরিবহন করছে কিনা। এর আগে রবিবার বরফ বোঝাই একটি নৌকা ও লোকসহ আটক করে মরা পশুর ক্যাম্প ইনচার্জ। কিন্তু লোক ছেড়ে দিয়ে শুধু নৌকা আটক দেখানো হয়েছে এমন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও বন বিভাগের চাদঁপাই ষ্টেশন থেকে কাকড়া পাশ (অনুমোদন) নেয়া জিয়ারুলের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। এর আগে কয়েক দফায় বন বিভাগের কর্মীরা তার কাকড়া আটক করে  সিআর (মামলা) দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়টি না জানার অযুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যান চাদপাই রেঞ্জের ষ্টেশন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। তবে সংবাদ না করার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com